দক্ষিণ সিকিমের একটি স্বল্পপরিচিত পাহাড়ি গ্রাম বোরং শহুরে মানুষের জন্য হয়ে উঠতে পারে নিখুঁত শান্তির ঠিকানা। ঘন কুয়াশা, পাহাড়ি বাঁক, পাইন-বৃক্ষের মাঝে পাখির কিচিরমিচির, সব মিলিয়ে গ্রামটি শহরের ভিড় শব্দ থেকে এক প্রকার মুক্তির আশ্রয়।

শিলিগুড়ি থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরে, নিউ জলপাইগুড়ি থেকে গাড়ি চড়ে রাবাংলা হয়ে বোরং পৌঁছানো যায়। নদী তিস্তা পথের সঙ্গে সঙ্গে চলতে থাকে, আর পাহাড়ি পথের মাঝেই চোখে পড়ে এক স্বপ্নময় সবুজ উপত্যকা। মেঘমুক্ত দিনে এই গ্রাম থেকে দেখা যায় কাঞ্চনজঙ্ঘা, এবং স্পষ্ট আকাশে দেখা যায় তুষারাবৃত নরসিং ও পান্ডিম পর্বত শিখর।
বোরং শুধু ভ্রমণকেন্দ্র নয়, বরং অতিথিদের মনে করিয়ে দেয় জীবনের তাড়াহুড়ো কমিয়ে নিজের সঙ্গে সময় কাটানোর গুরুত্ব। গ্রামটির হোমস্টে গুলোতে স্থানীয় খাবারের স্বাদ নেওয়া যায়। ঘরবাড়ি ও গ্রাম্য পরিবেশ একেবারে ছবির মতো।

ভ্রমণকারীরা চাইলে বোরং থেকে মাত্র ১২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রালং মনাস্ট্রি বা বৌদ্ধ মঠও ঘুরে দেখতে পারেন। এখানে শান্তির সঙ্গে সঙ্গে ভক্তিভরে মন্ত্রপাঠের ধ্বনি শোনা যায়।

যাতায়াতের ব্যবস্থা:
ট্রেনে নিউ জলপাইগুড়ি,এর পর বাসে শিলিগুড়ি, গাড়িতে রাবাংলা হয়ে বোরং। নিউ জলপাইগুড়ি থেকে গাড়ি চালিয়ে কিংবা স্থানীয় হোমস্টেতে বিশ্রাম নিয়ে, শহরের ক্লান্তি কাটাতে বোরং একটি চমৎকার গন্তব্য হতে পারে।
আরটিভি/এসকে




